বাংলা নববর্ষ ও কিছু কথা

ডেস্ক রিপোর্ট    ০৪:৩৪ পিএম, ২০২৫-০৪-১৩    27


বাংলা নববর্ষ ও কিছু কথা

বাঙালি জীবনের অসাম্প্রদায়িক, সর্বজনীন একটি উৎসব হলো পহেলা বৈশাখ, বর্ষবরণের দিন, শুভ নববর্ষ। এ দিনটি প্রত্যেক বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে উৎসব আমেজ আর ফুরফুরে বাতাসের দিন বসন্ত। আলপনা আঁকা শাড়ি আর পাঞ্জাবি ছাড়া যেন এ দিনটিকে আর পালন করাই যায় না। সঙ্গে লাল সবুজ আর সাদার মিশেলে হাতে, গালে ফুলকি আঁকা এখন হালফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছরই ক্রমশ বাড়ছে বর্ষবরণের আমেজ। স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের সরাসরি সম্প্রচার, রমনার বটমূল থেকে পুরো ঢাকা হয়ে প্রতিটি বিভাগীয় শহর, জেলা শহর, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে গ্রামে পালন করা হয়। শুধু গ্রাম নয়, শহর-উপশহর রাজধানী ঢাকারও বিভিন্ন অলিগলিতে বসে বৈশাখী মেলা। পান্তা-ইলিশ, বাঁশি, ঢাক-ঢোলের বাজনায় আর মঙ্গল শোভাযাত্রায় পূর্ণতা পাচ্ছে বাঙালির এ উৎসবমুখরতা। এবার একটু ফিরে দেখা বাংলা নববর্ষের পথচলার ইতিহাস।

বাংলা নববর্ষের ইতিহাস : সৌরপঞ্জি মতে, বাংলায় ১২টি মাস অনেক আগে থেকেই পালন হয়ে আসছে। কিন্তু গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় দেখা যায়, এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় এ সৌর বছর গণনা শুরু হতো। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্য শুরুর পর থেকে আরবি বছর হিজরি পঞ্জিকা অনুযায়ী তারা কৃষিপণ্যের খাজনা আদায় করত। কিন্তু হিজরি সাল চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় কৃষি ফলনের সঙ্গে এর কোনো মিল পাওয়া যেত না। আর তখনই সম্রাট আকবর এর সুষ্ঠু সমাধানের জন্য বাংলায় বর্ষপঞ্জি সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সম্রাটের আদেশ অনুযায়ী সে সময়কার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ আমীর ফতেহউল্লাহ সিরাজী সৌরবছর ও আরবি হিজরি সালের ওপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম তৈরির কাজ শুরু করেন। বাংলা বছর নির্ধারণ নিয়ে লেখা বিভিন্ন বইয়ের প্রাপ্ত তথ্যমতে, ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ বা ১১ মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে পরীক্ষামূলক এ গণনা পদ্ধতিকে কার্যকর ধরা হয় ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর তারিখ থেকে অর্থাৎ সম্রাট আকবরের সিংহাসন আরোহণের তারিখ থেকে। প্রথমে ফসলি সন বলা হলেও পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

বাংলা মাসের নামকরণ : বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলা মাসের নামগুলো বিভিন্ন তারকারাজির নাম থেকে নেওয়া হয়েছে। যেমনÑ বিশাখা থেকে বৈশাখ, জেষ্ঠ্যা থেকে জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়া থেকে আষাঢ়, শ্রবণা থেকে শ্রাবণ, ভাদ্রপদ থেকে ভাদ্র, কৃত্তিকা থেকে কার্তিক, অগ্রইহনী থেকে অগ্রহায়ণ, পূষ্যা থেকে পৌষ, মঘা থেকে মাঘ, ফল্গুনি থেকে ফাল্গুন এবং চিত্রা থেকে চৈত্র। আগেকার দিনে অগ্রহায়ণ মাসে ধান কাটা শুরু হতো বলে এ মাসকে বছরের প্রথম মাস ধরা হতো। তাই এ মাসের নামই রাখা হয় অগ্রহায়ণ। অগ্র অর্থ প্রথম আর হায়ণ অর্থ বর্ষ বা ধান। সম্রাট আকবরের সময়ে একটি বিষয় ছিল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য, তা হলো মাসের প্রতিটি দিনের জন্য আলাদা আলাদা নাম ছিল; যা কি না প্রজাসাধারণের মনে রাখা খুবই কষ্ট হতো। তাই সম্রাট শাহজাহান সাত দিনে সপ্তাহ ভিত্তিক বাংলায় দিনের নামকরণের কাজ শুরু করেন। ইংরেজি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ইংরেজি সাত দিনের নামের কিছুটা আদলে বাংলায় সাত দিনের নামকরণ করা হয়। যেমনÑ সানডে- রবিবার। সান অর্থ রবি বা সূর্য আর ডে অর্থ দিন। এভাবে বর্ষ গণনার রীতিকে বাংলায় প্রবর্তনের সংস্কার শুরু হয় মোগল আমলে।

বর্ষবরণের প্রবর্তিত রূপ : তখনকার দিনে শুধু কৃষিকাজ করার তাৎপর্যকে ধারণ করেই বাংলায় বছর গণনার রীতি চালু হয়। কিন্তু বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাঙালিদের যোগাযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখার সুবিধার্থে বাংলাদেশের সব জায়গাতেই খ্রিস্টীয় সন ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৪ এপ্রিল নববর্ষ পালিত হয়। বাংলা একািেডী কর্তৃক নির্ধারিত পঞ্জিকা অনুসারে এ দিনটিকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বাংলা দিনপঞ্জির সঙ্গে হিজরি ও খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে। তা হলো হিজরি সন চলে চাঁদের সঙ্গে আর খ্রিস্টীয় সাল চলে ঘড়ির সঙ্গে। এ কারণে হিজরি সনের নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় নতুন চাঁদের আগমনের মধ্য দিয়ে, ইংরেজি দিন শুরু হয় মধ্যরাতে আর বাংলা সনের শুরু হয় ভোরের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে।

নতুন বছর বরণে বাঙালির আয়োজন : বাংলাদেশে বর্ষবরণের মূল আয়োজন মূলত ঢাকার রমনা পার্কের বটমূলকে (অনেকে বলেন অশ্মথ মূল) ঘিরেই। সেই আনন্দ আয়োজন আর পান্তা-ইলিশের বাঙালিয়ানায় পুরো জাতি নিজেকে খুঁজে ফিরে ফেলে আসা গত দিনগুলোর স্মৃতি রোমন্থন আর নতুন অনাগত সময়কে বরণের ব্যস্ততায়। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি জাতিই নিজেদের ইতিহাস সংস্কৃতিকে বরণের জন্য বিশেষ বিশেষ দিনকে স্মরণীয় করে রাখে। যেমন প্রাচীন আরবীয়রা ‘ও কাজের মেলা’, ইরানিরা ‘নওরোজ উৎসব’ ও প্রাচীন ভারতীয়রা ‘দোলপূর্ণিমায়’ নববর্ষ উদযাপন করে থাকত। উল্লেখ্য, ইরানি’রা এখনো অনেক ঘটা করেই নওরোজ উৎসব পালন করে থাকে। এখানে বলে রাখা ভালো, পাকিস্তান আমলে পূর্বপাকিস্তানে সব সময়ই বাঙালি সংস্কৃতিকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করত। রবীন্দ্রনাথের কবিতা ও গান প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে ১৯৬৫ সাল (১৩৭৫ বঙ্গাব্দে) ছায়ানট নামের একটি সংগঠন রমনা পার্কে পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণ উৎসব পালনের আয়োজন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এসো হে বৈশাখ... এসো, এসো... গানের মাধ্যমে তারা স্বাগত জানাতে শুরু করে নতুন বছরকে। বর্ষবরণ এগিয়ে যায় আরো একধাপ। বিস্তৃত হতে শুরু করে ছায়ানট নামের সংগঠনটির। যা এখন বাংলাদেশের সংস্কৃতির ক্ষেত্রে একটি মহিরুহে পরিণত হয়েছে। ১৯৭২ সালের পর থেকে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ জাতীয় উৎসবের স্বীকৃতি পায়। ১৯৮০ সালে বৈশাখী মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে একধাপ বাড়তি ছোঁয়া পায় বাংলা নববর্ষ বরণের অনুষ্ঠান। ছড়িয়ে পড়ে সবার অন্তরে অন্তরে। প্রতি বছরই তাই কোটি কোটি বাঙালির অপেক্ষা থাকে কবে আসবে বাংলা নববর্ষ।

আধুনিকতার ছোঁয়ায় বর্ষবরণের অনুষ্ঠানমালা : বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর কল্যাণে এখন ভোরে রমনা বটমূলে শুরু হওয়া বর্ষবরণের অনুষ্ঠান উপভোগ করে কয়েক কোটি বাঙালি। ছায়ানটের শিল্পীদের পরিবেশনায় বৈশাখকে বরণের সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয় আগেভাগে। পহেলা বৈশাখের দিন ভোরেই শুরু হয় বিভিন্ন স্থানে উন্মুক্ত কনসার্ট, বাউল, লালন, জারি-সারি, মুর্শেদী গানের আসর। আর শহুরে অ্যামিউজমেন্ট পার্কের স্বাদ থাকলেও পহেলা বৈশাখের দিন অন্তত নাগরদোলায় চড়তে চায় অনেক শিশুই।

বর্ষবরণের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো পান্তা-ইলিশ। যেন এ পান্তা-ইলিশ না হলে আর পহেলা বৈশাখের কোনো আমেজই থাকে না। বেশ তো এ সুযোগে রমনার লেকের পাড়েই অনেকে বসে পড়েন ইলিশ-পান্তা খেতে। সঙ্গে থাকে কাঁচামরিচ। মানে সম্পূর্ণভাবেই বাঙালিয়ানার পরিচয় দিতে যেন ব্যস্ত সবাই।

মঙ্গল শোভাযাত্রা : বর্ষবরণের অনুষ্ঠানমালায় ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। ১৯৮৯ সালে এ শোভাযাত্রার প্রচলন শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। পহেলা বৈশাখের দিন সকাল গড়িয়ে যখন রমনা টিএসসি শাহবাগে মানুষের উপচে পড়া ভিড় থাকে, তখন শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা।

বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এখানে পশুপাখির মুখাকৃতির ছবিসহ গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গকে ফুটিয়ে তোলা হয় নানা রং-বেরঙের মুখোশ ও আলপনার মাধ্যমে। ছেলে-বুড়ো সবাই তখন মেতে উঠে বর্ষবরণের মঙ্গল শোভাযাত্রার আনন্দে।

মেলা : বৈশাখ মাস বলতে তো মেলার মাসকেই বোঝায়। একসময় শুধু গ্রামগঞ্জে মেলা হলেও এখন এর পরিধি বিছিয়েছে শহরের বড়সড় অ্যাপার্টমেন্ট ও হাইসোসাইটিতেও। তবে পার্থক্য থাকে গ্রামের আর শহুরে মেলার। বাঁশ-বেতের তৈজস আর নানা জাতের খেলার সামগ্রী, নারকেল মুড়কিসহ আরো কত কী থাকে এসব মেলায়, তার ইয়ত্তা নেই। মেলার সময়ে নৌকাবাইচ, লাঠিখেলা, কুস্তির আসর বসে।

বাংলাদেশের চট্টগ্রামে লালদীঘির ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় জব্বারের বলিখেলা। আর বর্ষবরণের এ মেলা প্রবাসীদের জন্য হয় মিলনমেলা। দীর্ঘ ব্যস্ততার অবসরে বৈশাখী মেলা প্রবাসী বাঙালিদের দেয় অফুরন্ত আনন্দ। জাপানে প্রতি বছরই অনেক ঘটা করে বিশাল পরিসরে আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলা। জাপান প্রবাসীদের এ মিলনমেলার রেশটা থাকে সারা বছর। এ ছাড়া নিউইয়র্ক, লন্ডন, কানাডাসহ বিশ্বের অন্যান্য বড় বড় শহরে বসে বৈশাখী মেলার আয়োজন।

হালখাতা : প্রাচীন বর্ষবরণের রীতির সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবেই জড়িত একটি বিষয় হলো হালখাতা। তখন প্রত্যেকে চাষাবাদ বাবদ চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সব খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করে দিত। এরপর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ ভূমির মালিকরা তাদের প্রজাসাধারণের জন্য মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়নের ব্যবস্থা রাখতেন। যা পরবর্তীতে ব্যবসায়িক পরিমন্ডলে ছড়িয়ে পড়ে। দোকানিরা সারা বছরের বাকির খাতা সমাপ্ত করার জন্য পহেলা বৈশাখের দিনে নতুন সাজে বসে দোকানে। গ্রাহকদের মিষ্টিমুখ করিয়ে শুরু করেন নতুন বছরের ব্যবসার সূচনা। এ উৎসবগুলো সামাজিক রীতির অংশ হিসেবে পরিণত হয়েছে প্রতিটি বাঙালির ঘরে। এখনো গ্রামগঞ্জে নববর্ষে হালখাতার হিড়িক পড়ে বাজার, বন্দর ও গঞ্জে।

আধুনিক নববর্ষের সূচনা : আধুনিক নববর্ষ পালনের তত্ত্ব তালাশ করতে গিয়ে জানা গেল ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্ত্তন ও পূজার আয়োজন করা হয়েছিল। এরপর ১৯৮৩ সালে একইভাবে ভালো কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয় নববর্ষ পালনের জন্য। মোদ্দাকথা ১৯৬৭ সালের আগে ঘটা করে পহেলা বৈশাখ পালন করা হয়নি। এরপর থেকে প্রতি বছরই বাড়তে থাকে পহেলা বৈশাখ বরণের সাড়ম্বরতা।

বৈশাখ এলেই এর সঙ্গে আসে কালবৈশাখীল তান্ডবের কথা। প্রলয়ংকরী ঝড়ে লন্ডভন্ড করে বসতভিটা, জমিজিরেত, তার পরও আবারও ফিরে দাঁড়ায় ঝড়ঝঞ্ঝার সঙ্গে লড়াই করা প্রতিটি বাঙালি। নতুন করে বাঁচার স্বপ্নে শুরু হয় ঘর বাঁধা। এসব দুঃখ-দুর্যোগকে ভুলে পুরো জাতিই মেতে উঠে পহেলা বৈশাখের নববর্ষ পালনের আনন্দে। জাতীয় এ উৎসব এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসবে পরিণত হয়েছে। এ দিনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই বাংলা বছরের প্রথম দিনকে বরণের আনন্দে থাকে মাতোয়ারা। উৎসবপ্রিয় বাঙালিরা জাতীয় উন্নয়নে এসব পার্বন থেকে নতুন সঞ্জীবনী শক্তি নিয়ে দেশের জন্য কাজ করলেই আর পিছিয়ে থাকবে না আমার প্রিয় স্বদেশ, বাংলাদেশ। স্বাগতম বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ। সব অশুভ শক্তিকে পেছনে ফেলে নতুন দিনের শুভ সূচনা হোক, জাতি খুঁজে নেবে নতুন মুক্তির দিশারি।


রিটেলেড নিউজ

সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অপ-প্রচারে লিপ্ত সীতাকুণ্ডের কণ্ঠ'র বিরুদ্ধেও সীতাকুণ্ড জনসাধারণ নামের দুটি আইডির  বিরুদ্ধে  থানায় জিডি

সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অপ-প্রচারে লিপ্ত সীতাকুণ্ডের কণ্ঠ'র বিরুদ্ধেও সীতাকুণ্ড জনসাধারণ নামের দুটি আইডির বিরুদ্ধে থানায় জিডি

সাদা কাগজ প্রতিবেদক

সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির ও সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের  সহ সভাপতি বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপ-প্à¦... বিস্তারিত

লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা পেলেন চার শতাধিক মানুষ

লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা পেলেন চার শতাধিক মানুষ

সাদা কাগজ প্রতিবেদক

লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে সীতাকুণ্ডে চক্ষু ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি অনুষ... বিস্তারিত

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান সীতাকুণ্ড বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করেন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান সীতাকুণ্ড বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করেন

খায়রুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড

আসন্ন দূর্গাপুজা সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক... বিস্তারিত

সীতাকুণ্ড জালাল ভূঁইয়া মার্কেটের ব্যবসায়ী কমিটির  গঠন,  সভাপতি সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম সবুজ,

সীতাকুণ্ড জালাল ভূঁইয়া মার্কেটের ব্যবসায়ী কমিটির গঠন, সভাপতি সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম সবুজ,

সাদা কাগজ প্রতিবেদক

সীতাকুণ্ড দক্ষিণ বাজার জালাল ভূঁইয়া মার্কেটের ব্যবসায়ীরা গতকাল ৯ অক্টোবর বেলা ১২ টা সময় জালাল... বিস্তারিত

সন্দ্বীপে বইচিন্তার আয়োজনে সীরাতভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা

সন্দ্বীপে বইচিন্তার আয়োজনে সীরাতভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা

সাদা কাগজ প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে সাউথ সন্দ্বীপ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে রাসূল (সা.) এর সীরাত (জীবনী) শীর্ষক সাধà¦... বিস্তারিত

সীতাকুণ্ডে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন, জামায়াতের শহীদদের হত্যা মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি

সীতাকুণ্ডে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন, জামায়াতের শহীদদের হত্যা মামলায় সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি

খায়রুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড

সীতাকুণ্ডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এà¦... বিস্তারিত

সর্বশেষ

জোলাপাতির আর পুতুল খেলার দিনগুলো

জোলাপাতির আর পুতুল খেলার দিনগুলো

সাদা কাগজ প্রতিবেদক

-মোঃ তাজুল ইসলাম কামরুল   " আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়... বিস্তারিত

সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অপ-প্রচারে লিপ্ত সীতাকুণ্ডের কণ্ঠ'র বিরুদ্ধেও সীতাকুণ্ড জনসাধারণ নামের দুটি আইডির  বিরুদ্ধে  থানায় জিডি

সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অপ-প্রচারে লিপ্ত সীতাকুণ্ডের কণ্ঠ'র বিরুদ্ধেও সীতাকুণ্ড জনসাধারণ নামের দুটি আইডির বিরুদ্ধে থানায় জিডি

সাদা কাগজ প্রতিবেদক

সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির ও সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের  সহ সভাপতি বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপ-প্à¦... বিস্তারিত

লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা পেলেন চার শতাধিক মানুষ

লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবা পেলেন চার শতাধিক মানুষ

সাদা কাগজ প্রতিবেদক

লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে সীতাকুণ্ডে চক্ষু ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি অনুষ... বিস্তারিত

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান সীতাকুণ্ড বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করেন

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান সীতাকুণ্ড বিভিন্ন মন্ডপ পরিদর্শন করেন

খায়রুল ইসলাম, সীতাকুণ্ড

আসন্ন দূর্গাপুজা সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক... বিস্তারিত