সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ১০:০৯ এএম
একটি শিশুর জীবনে প্রাথমিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। শিশুরা যখন প্রথমবারের মতো স্কুলে পা রাখে, তখন তাদের মনে জাগে নতুন পরিবেশ, নতুন মুখ, নতুন নিয়মের প্রতি ভয় ও সংকোচ। এই ভয়কে দূর করে যদি শেখার পরিবেশ আনন্দময় হয়, তবে শিশুদের মনে শিক্ষার প্রতি জন্ম নেয় আগ্রহ, ভালোবাসা ও আত্মবিশ্বাস। এমন চিত্রই চোখে পড়ে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকায় অবস্থিত ন্যাশনাল গ্রামার স্কুলের প্রে-নার্সারি শ্রেণিতে।
এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুরা বইয়ের ভারবাহী হয়ে নয়, বরং খেলতে খেলতেই শেখে বর্ণ, সংখ্যা, আকার কিংবা সামাজিক আচরণ। রংতুলির ছোঁয়ায় আঁকা দেয়ালে যখন পরিচিত ছবি,
বর্ণ ও শব্দ দেখা যায়, তখন শিশুরা শেখে নিজে থেকেই। টিচারদের হাসিমুখ, মাতৃস্নেহে ভরা আচরণ ও ছড়া-কবিতায় ভরা শ্রেণিকক্ষ শিশুদের মধ্যে গড়ে তোলে এক নিরাপদ ও আকর্ষণীয় শিক্ষাজগৎ।
প্রে-নার্সারি স্তরে পাঠদান কেবল সিলেবাসের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলে না। এই বয়সে শিশুরা যা দেখে, শুনে, ছুঁয়ে বা অনুকরণ করে—সবই তাদের শেখার অংশ। তাই হালিশহর ন্যাশনাল গ্রামার স্কুলে শিক্ষকদের মূল লক্ষ্য থাকে—শিশুর প্রাক-বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক বিকাশ। এখানে শেখানো হয়, কীভাবে বন্ধুকে সাহায্য করতে হয়, কীভাবে ছোটখাটো কাজ নিজের হাতে করতে হয়, কিংবা খেলনার ভেতরেও কীভাবে গঠনমূলক চিন্তা করা যায়।
শিশুর প্রথম বিদ্যালয় অভিজ্ঞতা যেন হয় সুখময়—এটাই হওয়া উচিত প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। দুঃখজনক হলেও সত্য, এখনও অনেক স্কুলে এই পর্যায়ের শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। শিশুকে চার দেয়ালের মধ্যে বসিয়ে শুধুই লিখতে শেখানো কিংবা পরীক্ষার জন্য মুখস্থ করানো হচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠানে মূল কৌশল। এতে করে শিশুর মধ্যে জন্ম নেয় শিক্ষাভীতি, যা তার ভবিষ্যৎ শেখার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে পারে।
ন্যাশনাল গ্রামার স্কুলে শিশুরা গানে গানে শেখে সংখ্যা, গল্পে গল্পে শেখে নৈতিকতা, আর ছবির মধ্য দিয়ে শিখে চিন্তা করা। স্কুল প্রাঙ্গণে রয়েছে শিশুদের উপযোগী খেলার উপকরণ, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ও নিরাপদ পরিবেশ। প্রে-নার্সারি ক্লাসগুলোয় বইয়ের সংখ্যা কম হলেও শেখার উপকরণ অনেক বেশি—পাজল, কিউব, কাঠের বর্ণমালা, নরম খেলনা, রং তুলির সেট, ও ছড়ার অডিও–সবকিছুই শিশুর মনন ও কল্পনার বিকাশ ঘটায়।
এ ধরনের আনন্দঘন শিক্ষা পদ্ধতি শুধু শহরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না থেকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুর মনোবিজ্ঞান বুঝে পাঠদান করলে ভবিষ্যতে তৈরি হবে সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও মানসিকভাবে সুস্থ প্রজন্ম। আজকের শিশুরাই তো আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে—তাদের ভিতটা যদি হয় আনন্দের, তবে তাদের ভবিষ্যৎও হবে উজ্জ্বল।
চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সম্মানিত পরিচালক এবং দেশসেরা অনুপ্রেরণাকà¦... বিস্তারিত
সন্দ্বীপে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদের সম্মেà¦... বিস্তারিত
প্রবাসী ও বৃহত্তর চট্টগ্রামে বসবাসরত সন্দ্বীপবাসীর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সংগঠন সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন ... বিস্তারিত
সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশপ্রেম, সততা ও সচেতনতা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পà... বিস্তারিত
৩ মে: রঙ-পেন্সিলের ছোঁয়ায় কাগজ জুড়ে ফুটে উঠল শিশুমনের কল্পনা, স্বপ্ন আর অনুভূতির নান্দনিক প্রকাশ। à¦... বিস্তারিত
অসহায় মানুষের আইনি সহায়তা এবং এসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অ্যাডভোকেট... বিস্তারিত
-মোঃ তাজুল ইসলাম কামরুল " আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়... বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির ও সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপ-প্à¦... বিস্তারিত
লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে সীতাকুণ্ডে চক্ষু ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি অনুষ... বিস্তারিত
আসন্ন দূর্গাপুজা সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক... বিস্তারিত