মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫৬ এএম
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাহেরুল হক চৌধুরী ছিলেন নির্লোভ, আদর্শবাদী এবং সত্যিকারের একজন মুক্তিযোদ্ধা। এমন মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপি নেতা ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, “মোজাহেরুল হক চৌধুরীর মতো মানুষদের কারণেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বেঁচে আছে। তারা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা ছাড়াই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানও যুদ্ধ করে ব্যারাকে ফিরে গিয়েছিলেন, ক্ষমতার মোহে জড়াননি।”
শনিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ‘মোজাহের মরজান স্মৃতি কল্যাণ সংস্থা’র উদ্যোগে আয়োজিত মোজাহেরুল হক চৌধুরীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন
তিনি।
মেয়র শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, “আজ এমন এক সময় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা রাজাকারের তকমা পাচ্ছেন, আর মিথ্যা সার্টিফিকেটধারীরা মুক্তিযোদ্ধা সেজে গর্ব করছেন। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় এখনো নির্ভুল তালিকা করতে পারেনি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
তিনি বলেন, “গত সরকারের আমলে চার-পাঁচ বছর আগেও ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে অনেককে মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে। এখনো প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারিত হয়নি। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা দিতে হবে। তবেই মোজাহেরুল হকের আত্মা শান্তি পাবে।”
মেয়র বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল সাম্য, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং গণতন্ত্রের জন্য। সেই লক্ষ্য আজও অর্জিত হয়নি। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছি।”
স্মরণসভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো, ২৪ জুলাইয়ের বিপ্লবের শহীদ ও সাম্প্রতিক বিমান দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মোজাহের মরজান স্মৃতি কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মারুফুল হক চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, জেলা রেড ক্রিসেন্টের সহসভাপতি মনিরুল ইসলাম ইউছুপ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, মহানগর পিপি এডভোকেট মফিজুল হক ভূইয়া, জেলা জিপি আবুল কাশেম চৌধুরী।
বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন জিয়া, মো. কামরুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, জাকির হোসেন, আবদুল আজিজ, লোকমান মাস্টার, এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, নবাব খান, আবদুল বাতেন, ছগির আহমেদ, তৌহিদুস সালাম নিশাদ, জসিম মিয়া ও হাসান উসমান চৌধুরী প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান ও এডভোকেট নেজাম উদ্দিন খান।
নব্বইয়ের দশক ও ২০০০ সালের শুরুতে কাতারের রাজধানী দোহায় বড় হয়ে ওঠার সময় একটি দৃশ্য বারবার চোখে পড়ত।... বিস্তারিত
খায়রুল ইসলাম সীতাকুণ্ড :চট্টগ্রাম - সীতাকুণ্ড আসন থেকে নির্বাচিত লায়ন মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী এফসি... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্... বিস্তারিত
আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়... বিস্তারিত
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেল... বিস্তারিত
সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ ও তাঁদের বিচার ... বিস্তারিত
আন্জুমানে মোত্তবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারীর উদ্যোগে এবং লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ ও লিও ক... বিস্তারিত
হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অগ্নি নির্বা... বিস্তারিত
‘সৃজনে আনন্দ’—এই প্রত্যয়কে ধারণ করে হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার ব... বিস্তারিত