মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:১০ পিএম
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ আর জীবন রক্ষার তাগিদ—এই তিনের চাপে পড়ে ২০১৭ সালে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন সন্দ্বীপের যুবক মোয়াক্কের আহমদ চৌধুরী আজম। গন্তব্য ছিল কাতার। তবে প্রবাসের মাটিতে থেমে থাকেননি তিনি। শুরু করেন নতুন করে বাঁচার লড়াই। আজ সেই আজমই কাতারে প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে দেশের অনেক তরুণের।
গত ১৮ ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে মোয়াক্কের আহমদ চৌধুরী আজমকে সিআইপি (কমার্শিয়ালি ইম্পর্টেন্ট পারসন) হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। বৈধ পথে দেশে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স পাঠানোর স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা তুলে দেন বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
২০১৭ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সন্দ্বীপ ছাড়তে হয় আজমকে। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের একাংশের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পাড়ি জমান মধ্যপ্রাচ্যের কাতারে। সেখানে শুরুতে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও দমে যাননি। শুরু করেন শ্রমিক হিসেবে, পরে ধাপে ধাপে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন উদ্যোক্তা হিসেবে।
প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাতারে গড়ে তোলেন একটি বহুজাতিক কোম্পানি, যেখানে আজ কর্মরত আছেন দেশের বহু বেকার তরুণ। শুধু নিজের সাফল্যেই থেমে না থেকে, দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন বুনেছেন তিনি।
মোয়াক্কের আহমদ চৌধুরী আজমের শিকড় গাছুয়া ইউনিয়নের চৌধুরী বাড়িতে। বাবা মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ, সৎ সমাজসেবক। মা আয়েশা বেগম একজন গৃহিণী, যিনি পর্দানশীন জীবন যাপন করতেন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে আজমই সবার বড়।
শিক্ষাজীবনেও ছিলেন প্রতিভাবান। ২০০৬ সালে একাডেমি গাছুয়া থেকে এসএসসি ও পরে মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর চট্টগ্রামের হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ থেকে বিএসসি সম্পন্ন করেন কৃতিত্বের সঙ্গে।
মোয়াক্কের আহমদ চৌধুরী আজমের স্ত্রী ডা. হুমাইরাতুল জান্নাত একজন চিকিৎসক। তাদের একমাত্র কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রবাসে থেকেও তিনি পরিবারকে সময় দেন এবং সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকারে অটল থাকেন।
প্রবাসে বসেও শেকড়কে ভুলে যাননি আজম। জানান, শৈশবে বাড়ির পাশে সন্দ্বীপের একমাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য হাহাকার দেখেছেন। চিকিৎসার অভাব, পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকা, আর অবহেলার কারণে প্রাণহানি হতে দেখেছেন অনেক। তখন থেকেই এক স্বপ্ন লালন করেন—সন্দ্বীপে গড়ে তুলবেন একটি আধুনিক হাসপাতাল।
"চাই না আর কোনো মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যাক,"—বলছিলেন আজম। শিগগিরই সন্দ্বীপে আধুনিক সকল সুবিধাসম্পন্ন একটি মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে তার।
সিআইপি আজম বলেন, “প্রবাসে থেকেও দেশের জন্য কিছু করতে পারা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারা—এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি কিছু নেই।”
বাংলাদেশ থেকে যারা প্রবাসে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি আজমের পরামর্শ—“পরিশ্রম করুন, স্বপ্ন দেখুন, আর সততার সঙ্গে কাজ করে যান। দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে প্রবাসের কষ্টও সার্থক হয়।”
আন্জুমানে মোত্তবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারীর উদ্যোগে এবং লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ ও লিও ক... বিস্তারিত
হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অগ্নি নির্বা... বিস্তারিত
‘সৃজনে আনন্দ’—এই প্রত্যয়কে ধারণ করে হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার ব... বিস্তারিত
সামাজিক সংগঠন প্রয়াস এর উদ্যোগে ২১ আগষ্ট শুক্রবার বিকালে নগরের বেলভিউ হসপিটাল লি: প্রাঙ্গনে সমাজ... বিস্তারিত
সীতাকুণ্ডে ইত্তেহাদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ... বিস্তারিত
আন্জুমানে মোত্তবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারীর উদ্যোগে এবং লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সন্দ্বীপ ও লিও ক... বিস্তারিত
হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অগ্নি নির্বা... বিস্তারিত
‘সৃজনে আনন্দ’—এই প্রত্যয়কে ধারণ করে হালিশহর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার ব... বিস্তারিত