সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ০৭:৩৪ এএম
চট্টগ্রামবাসীর বছরের পর বছরের দুর্ভোগ ‘জলাবদ্ধতা’ এবার বড় ধরনের কমার পথে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, চলমান কাজ ঠিকভাবে এগোলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নগরীর ৮০-৯০% জলাবদ্ধতা দূর হবে।
শনিবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে ১৯ সদস্যের সমন্বয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত কমিটি মাঠে নেমে কাজ শুরু করেছে। নৌপরিবহন, ভূমি, পরিকল্পনা, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সব সংস্থা একসাথে খাল, নদীর মুখে ড্রেজিং ও পরিচ্ছন্নতা তদারকি করছে।
কী কাজ হচ্ছে?
*১. প্রযুক্তিগত সমাধান*
চট্টগ্রামের জোয়ার-ভাটা আর অতিবৃষ্টির কারণে সমস্যা জটিল। তাই আধুনিক অটোমেটিক স্লুইস গেট বসানো হয়েছে। পানির চাপ বাড়লে গেট নিজেই খুলে যাবে। খালের পাড়ে ওয়াকওয়ে আর ময়লা আটকাতে নেটিংও যুক্ত হচ্ছে।
*২. খাল ও ড্রেন পরিষ্কার*
৫৭টি খাল আর ১৬০ কিমি ড্রেন পরিষ্কারের কাজ চলছে। এর মধ্যে সিডিএ করছে ৩৬টি, চসিক করছে ২১টি খালের কাজ। হিজড়া, জামালখান, রামপুরা, আজবাহার খাল প্রশস্ত ও গভীর করা হচ্ছে। অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ হয়েছে।
*৩. সমন্বিত উদ্যোগ*
সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড, সিডিএ, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, চসিক, বন্দর কর্তৃপক্ষ সবাই একসাথে কাজ করছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়মিত মেইনটেন্যান্স ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পানি দ্রুত কর্ণফুলী ও সাগরে নামানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
কিন্তু একা সরকার পারবে না
প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান দুজনেই জোর দিয়েছেন জনসচেতনতার ওপর। খাল থেকে উদ্ধার হচ্ছে তোষক, চেয়ার, টেবিল, পলিথিন, স্বাস্থ্যবর্জ্য। নির্মাণাধীন ভবনের বালু-বর্জ্যও ড্রেনে ফেলা হচ্ছে।
“শুধু খাল খন করলে হবে না, নাগরিকদের দায়িত্বশীল হতে হবে” - বলেন মীর হেলাল উদ্দিন।
অগ্রগতি কেমন?
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, গত বছরই ৫০-৬০% জলাবদ্ধতা কমেছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে যেটুকু পানি জমেছিল তা উন্নয়ন কাজের জন্য অস্থায়ী বাঁধের কারণে। বাঁধ সরানোর পর পানি নেমে গেছে।
সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল আলম আশ্বাস দিয়েছেন, “চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে আমাদের সক্ষমতা ও পরিকল্পনা দুটোই আছে।
*লক্ষ্য:* চট্টগ্রামকে ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ ও স্মার্ট সিটি’ বানানো। এর জন্য স্কুল হেলথ স্কিমের মাধ্যমে শিশুদের পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, যারা বাড়িতেও সচেতনতা ছড়াচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রীর মতে, ৩০ মিলিমিটারের মতো অস্বাভাবিক বৃষ্টি হলে সাময়িক জলজট হতেই পারে। তবে দ্রুত পানি নামানোর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। প্রয়োজনে নিচু এলাকার রাস্তা উঁচু করা হবে।
সব মিলিয়ে সরকার বলছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামবাসী জলাবদ্ধতায় বড় স্বস্তি পাবে। তবে সেই স্বস্তি টেকসই করতে চাই নাগরিকদের সহযোগিতা।
কোন অংশটা তোমার কাছে বেশি জরুরি মনে হচ্ছে - প্রযুক্তিগত কাজ নাকি জনসচেতনতা?
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনকে শুভেচ্ছা à¦... বিস্তারিত
উপজেলাধীন জঙ্গল সলিমপুরে অস্হায়ী র্যাব ক্যাম্প কে লক্ষ্য স্হানীয় সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাতারী ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, মানুষকে বলা হয়- ‘আশরাফুল মাখলুকাত’।... বিস্তারিত
বাংলাদেশে উৎসব এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে—এ যেন দীর্ঘদিনের এক অলিখিত বাস্তবতা। কিন্তà§... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সাম্প্রতিক গ্রাফিতি ইস্যু নিয়ে এক বক্তব্যে দাবি... বিস্তারিত
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে আগামী ১৯ মে থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী “ভূমিসেবা মেলা-২০২৬”। এ উপলক্ষে à¦... বিস্তারিত
-মোঃ তাজুল ইসলাম কামরুল " আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়... বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির ও সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপ-প্à¦... বিস্তারিত
লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে সীতাকুণ্ডে চক্ষু ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি অনুষ... বিস্তারিত
আসন্ন দূর্গাপুজা সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক... বিস্তারিত