সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ০৮:১৩ এএম
দেশের ব্যাংকগুলোতে গত সাত বছরে খেলাপি ঋণ বেড়ে তিনগুণ হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চিত্র ধরা পড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৭ সালের জুন শেষে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৪ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা। সাত বছরে তা এক লাখ ৩৭ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা বেড়ে দুই লাখ ১১ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা হয়েছে।
খাত হিসাবে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এরপরই রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর। আর তুলনা কম খেলাপি ঋণ বিদেশি ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ১ জুলাই বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯৯ হাজার ৯২২ কোটি টাকা। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। সাত বছরে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৬৮ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। বৃদ্ধির হার দ্বিগুণ বা ২১৫ শতাংশ।
সাত বছর আগে বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ছিল ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বর্তমানে খেলাপি ঋণের হার ৮ শতাংশ।
বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে পাঁচটি ব্যাংকের অবস্থা খুবই খারাপ। যাদের খেলাপি ঋণের হার ৩০ থেকে ৮৯ শতাংশ পর্যন্ত। এর মধ্যে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল, এখনো খারাপ। বাকি চারটি ব্যাংকের অবস্থাও খারাপ হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এসব ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ফেরত না দেওয়ার কারণে খেলাপি হয়েছে এসব ঋণ। ক্ষেত্র বিশেষে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে আরও খারাপ হয়েছে।
বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ দুই হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা। সাত বছর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩৪ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা।
সাত বছর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো খেলাপি ঋণের হার ছিল ২৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বর্তমানে এ হার ৩২ দশকিক ৭৭ শতাংশ। রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার বেশি। এর মধ্যে তিনটির ৪০ শতাংশ আর একটি খেলাপির হার ৩০ শতাংশ। সাত বছর আগেও এমন অবস্থা ছিল না রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর।
রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সোনালী ও রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কিছুটা কমেছে গত সাত বছরে।
দেশে কর্মরত বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার কম। এসব ব্যাংক নীতি কঠোরভাবে পরিপালন করার কারণে ঋণ খেলাপি হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।
তথ্যে দেখা যায়, বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। সাত বছর আগে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার প্রায় একই ছিল। ব্যাংকেরগুলোর ঋণ বিতরণের পাশাপাশি খেলাপি ঋণের হার একই হারে বৃদ্ধির কারণে পরিমাণ বাড়লেও খেলাপির হার বাড়েনি।
বর্তমানে বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ তিন হাজার ২৩০ কোটি টাকা। যা সাত বছর আগে ছিল দুই হাজার ৩২১ কোটি।
বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাবিস্তানের বিতরণ করা ঋণের প্রায় পুরোটাই খেলাপি। অন্যদিকে কমার্শিয়াল ব্যাংক সিলনের খেলাপি ঋণের হার এক শতাংশ।
রাজিব মজুমদার, মীরসরাই, চট্টগ্রা ::: চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জে আল-মদিনা শপিং সেন্টারà... বিস্তারিত
সন্দ্বীপ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোরবানির পশু জবাই, চামড়া সংরক্ষণ এবং সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে ব... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতি ৬ জন বাসিন্দার মধ্যে ১ জনের কাছে ব্র্যাকের সেবা পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য, শিক্à¦... বিস্তারিত
অকার্যকর ঘোষিত পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত হয়ে নতুন নাম ও পরিচয়ে যাত্রা শুরু করেছে— সম্মিলিত ইসলà¦... বিস্তারিত
‘আজকের ছোট সঞ্চয়ই হতে পারে আগামী দিনের বড় পুঁজি’— এই বার্তা নিয়েই ওয়ান ব্যাংক লিমিটেডে হালিশহর শাà... বিস্তারিত
বাংলা ঐতিহ্য, আধুনিক ডিজাইন ও মানসম্পন্ন পোশাক তৈরির এক অনন্য সমন্বয় নিয়ে এগিয়ে চলেছে “আদ্রিতা বুà... বিস্তারিত
-মোঃ তাজুল ইসলাম কামরুল " আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই লেখাপড়... বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড হোটেল মালিক সমিতির সভাপতির ও সীতাকুণ্ড প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপ-প্à¦... বিস্তারিত
লায়ন্স ক্লাব অব চট্টগ্রাম লিবার্টির উদ্যোগে সীতাকুণ্ডে চক্ষু ও স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচি অনুষ... বিস্তারিত
আসন্ন দূর্গাপুজা সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক... বিস্তারিত